শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:০৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে টিডিএসে খোলা হয়েছে শোক বই বেগম জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় ট্রাফিক স্কুলে দোয়া মাহফিল স্কুল অব লিডারশিপ এর আয়োজনে দিনব্যাপী পলিটিক্যাল লিডারশিপ ট্রেনিং এন্ড ওয়ার্কশপ চাঁদপুরে সাহিত্য সন্ধ্যা ও বিশ্ববাঙালি মৈত্রী সম্মাননা-২০২৫ অনুষ্ঠিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় টিডিএসে দোয়া মাহফিল সব্যসাচী লেখক, বিজ্ঞান কবি হাসনাইন সাজ্জাদী: সিলেট থেকে বিশ্ব সাহিত্যে কসবায় বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মুশফিকুর রহমানের পক্ষে নেতাকর্মীদের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরন ৭ই নভেম্বর: সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান এখন কবি আল মাহমুদের সময় দৈনিক ঐশী বাংলা’র জাতীয় সাহিত্য সম্মেলন ১৭ জানুয়ারি-‘২৬ ঢাকার বিশ্ব সাহিত্যকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অস্বাভাবিক ওজনের শিশুর জন্ম, হাসপাতালের নার্স, চিকিৎসকসহ উৎসুক জনতা ভিড়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অস্বাভাবিক ওজনের শিশুর জন্ম, হাসপাতালের নার্স, চিকিৎসকসহ উৎসুক জনতা ভিড়

বিশেষ প্রতিনিধি।।।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইতিহাসে স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি ওজনের একটি ছেলে শিশু জন্মগ্রহণ করেছে। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে জেলা শহরের কুমারশীল মোড়ে হলি ল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামে একটি হাসপাতালের শিশুটির জন্ম হয়।
বর্তমানে মা ও শিশুটি উভয়েই সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের চিকিৎসক। জন্ম নেয়া ওই শিশুর নাম রাখা হয়েছে মুয়াজ।

হলি ল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু কাউসার জানান, দুই দিন আগে জেলার সরাইল উপজেলার অরুয়াইল গ্রাম থেকে তাসলিমা আক্তার নামে এক প্রসূতি মা হলি ল্যাব হাসপাতালে ১০৩ নম্বর কক্ষে ভর্তি হন। পরে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে ওই মা ৫ কেজি ৭শ’ গ্রাম ওজনের একটি ছেলে শিশুর জন্ম দেন। অস্বাভাবিক ওজনের শিশুর জন্মের খবর পেয়ে হাসপাতালের নার্স, চিকিৎসকসহ উৎসুক জনতা ভিড় করেন।

এ ব্যাপারে শিশুর মা তাসলিমা বেগম বলেন, আজকের দিনটির জন্য দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করেছি। আমি ও আমার ছেলে শিশু সুস্থ আছে।

শিশুর বাবা ও অরুয়াইল সরকারি প্রাথামিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মো. আবুল বাশার বলেন, এটি চতুর্থ সন্তান। আমার আগের সন্তানগুলো নরমাল ডেলিভারি হয় এবং ওই শিশু গুলোর স্বাস্থ্যও ভাল ছিল। নিরাপদে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ায় আমি খুবই খুশি। আমার পরিবার ‘ধন্য’ হয়েছে।

হাসপাতালের চিকিৎসক ফৌজিয়া ম্যাডামের সহযোগিতায় সিজারের পর মা ও শিশু ভাল আছেন ও সুস্থ আছেন। শিশুর মা গর্ভকালীন সময় বেশি বেশি পুষ্টিকর খাবার খেয়েছিলেন। হয়তো এর কারণে সুস্থ ওজনের শিশুর জন্ম হয়েছে।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের গাইনি বিভাগের বিশেষজ্ঞ ও হলি ল্যাব হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. ফৌজিয়া আক্তার বলেন, চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বেশি ওজনের বাচ্চাদের বলা হয় ম্যাক্সোসোনিয়া। এ ধরনের বাচ্ছা সাধারণত শিশুর মা-বাবা ডায়াবেটিক আক্রান্ত হলে অথবা শিশুর মা-বাবার বেশি ওজন হলে ম্যাক্সোসোনিয়া (বেশি ওজনের) শিশুর জন্ম হতে পারে। তবে আশ্চর্য জনক বিষয় হলো এ ধরনের কোনো লক্ষণ শিশুর মা বাবার নেই। এটা নেই আল্লাহর রহমত বলে মনে করেন তিনি। বর্তমানে মা ও শিশুর সুস্থ্য আছেন।

তিনি জানান, এর আগে ২০০৭ সালে রাজধানীর উত্তরার একটি হাসপাতালে ৬ কেজি ওজনের বাচ্চা জন্ম নিয়েছিল। জানা মতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পৌনে ৬ কেজি ওজনের শিশুটি দেশের দ্বিতীয়।

তিনি আরো বলেন, সাধারণত একটি শিশু জন্মের পর ওজন আড়াই থেকে সাড়ে তিন কেজির মধ্যে থাকে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




raytahost-demo
© All rights reserved © 2019
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD